বর্তমানে
কিছু অজ্ঞানী সনাতন ধর্মদর্শনকে সাধারণ হিন্দুদের কাছে ভুল উপস্থাপনের
জন্য কিছু প্রশ্ন সাজিয়েছে। সেইসকল প্রশ্নে তারা রেফারেন্সও যুক্ত করেছে।
সেই প্রশ্নগুলোর শুরুতেই লেখা হয়েছে “আমি হিন্দু থেকে মুসলমান হলাম কেন?” ভাইরাল হওয়া এই পোষ্টটি বহুদিন পূর্বে রচনা করা হয়েছিল। সেই সময় এর শিরোনাম ছিল “হিন্দু ভাইয়েরা মন খারাপ করবেন না, আমি শুধু জানতে চাই।” জানতে
চাওয়া ভালো, কিন্তু জানতে চাওয়ার আড়ালে যে অসৎ উদ্দেশ্যে আছে, সাধারণ
হিন্দুদের বিভ্রান্ত করে কনভার্ট করার এই যে অনৈতিক পস্থা অজ্ঞানীরা
অবলম্বন করেছে, তাদের প্রশ্নগুলো যথাযথ উত্তর দেওয়ার জন্যই এই আর্টিকেল
লেখা হলো।
আসুন তাদের অপপ্রচারের জবাবটা দিয়ে দেই।
প্রথমেই
বলে রাখি, ঔপনিষদীয় যুগে যখন বেদাদি শাস্ত্রসমূহ কেবল জ্ঞানীদের মধ্যে
সীমাবদ্ধ হতে থাকে এবং সাধারণ মানুষেরা ধর্মপালন থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে, তখন
সমাজের সাধারণ মানুষদেরকে পুনরায় ধর্মমূখী করার উদ্দেশ্যে রূপকার্থে রচিত
হয় পুরাণসমূহ। এগুলোর মধ্যে বায়ুপুরাণ এবং বিষ্ণুপুরাণের রচনা অধিক
প্রাচীন। কালোক্রমে শত শত পুরাণ রচনা করা হয় এবং প্রধান পুরাণসমূহে প্রচুর
গল্প কালোক্রমে যুক্ত হয়। এসকল গল্পের বাস্তব সত্যতা নেই বললেই চলে। কেবল
সেই সময়ের সমাজ ব্যবস্থা এবং সেই সময়ের ধ্যানধারণা সম্পর্কে কিছুটা অবগত
হওয়া যায়। তবুও অজ্ঞানীরা এই পুরাণসমূহ থেকে যেসকল প্রশ্ন উত্থাপন করেছে
সেগুলোর খণ্ডন দেওয়া হলো:
- তাদের দাবি:
- আমাদের জবাব:
তাদের এই দাবিটা পড়েই এদের দৌড় সম্পর্কে ভালো ধারণা হয়ে গেছে, কেননা ঋগ্বেদে অধ্যায় : খন্ড : শ্লোক -দিয়ে কোন মন্ত্র নেই,ঋগ্বেদে মন্ত্রগুলো সুক্ত ও মণ্ডলে বিভক্ত।আবার তারা ঋগ্বেদ বানানটাও জানেনা। তবুও তাদের সেই রেফারেন্স অনুসারে ঋগ্বেদে পেলাম-
শাসদ্বহির্দুর্হিতুর্নপ্তাং গাদ্ধিদ্ধাঁ ঋতস্য দীধিতিং সপর্য্যন।পিতা যত্র দুহিতুঃ সেকমৃঞ্জন্ সং শগ্ম্যেন মনসা দধম্বে।।
(ঋগ্বেদ-- ৩/৩১/১)
অনুবাদ- ঐ আত্মহীন পিতা, যে পরিবারের ধারক(পোষক), নির্দেশ করে তার নাতি(পুত্র তুল্যা)যে তার কন্যার সন্তান এবং যজ্ঞ করার দক্ষতার উপর আস্থা রাখে, সন্মানক(তার জামাই কে)নানাবিধি উপহারের সঙ্গে, সেই পিতা বিশ্বাস করে কন্যার গর্ভধারণের উপর, নিজেকে সমর্থন করে শান্তিপূর্ণ ও খুশি মনে ।
ভাবার্থ- “হে মানব! যেমন একটি কন্যা পিতা হতে জন্মলাভ করে, সুতরাং এই উষা(ভোর) জন্ম নেয় সূর্য হতে, যেমন স্বামী গর্ভধারণ করাই তার স্ত্রীর, সুতরাং এই সূর্য স্থাপন করে তার বীর্য(তেজঃ) ভোরের আলোকে রশ্মি আকারে। এই উষা হল সূর্যের কন্যা তুল্য যেখান থেকে জন্ম নেই একটি পুত্র উষা লগ্নে সকালের আকারে”
এটি ভোরের অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য বর্ণনাকারী একটি বেদ মন্ত্র। ভোরে উদিত সূর্য রশ্মি হল এখানে “বীর্য” অর্থ্যাৎ “সূর্যের তেজ” ।এখানে সেই মূহর্ত অর্থ্যাৎ উষালগ্ন যা অপূর্ব সুন্দর তাই নারী রূপে কল্পিত সূর্যকন্যা এবং সকাল যা আলোক তেজঃ রূপি ও পুত্ররূপে কল্পিত উষার পুত্র।
(অনুবাদ- পন্ডিত সত্যকাম বিদ্যালংকার)
(অনুবাদ- পন্ডিত সত্যকাম বিদ্যালংকার)
- তাদের দাবি:
শিব
৬০,০০০ বিবাহ করেছিল। সে মারা যাবার পর তার লিঙ্গকে পূজা করা হয়, একজন
শিষ্টাচার হিন্দু কোন যুক্তিকতায় তার স্ত্রীর দুধ দিয়ে শিবের গোপন অঙ্গ
ধৌত করে? এটা কি সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য? এমন কুরুচিপূর্ন আদেশ সৃষ্টিকর্তা
দিতে পারেন কি?
- আমাদের জবাব:
এই
দাবিটা কোথা থেকে পেয়েছে তার কোনো সূত্র নেই, শিব ৬০ হাজার বিবাহ
করেছিল এটা কোন শাস্ত্রে আছে তা এরা উল্লেখ করেনি। কীভাবে করবে? এই ৬০
হাজার বিবাহের কোনো গল্প কোনো পুরাণে নেই। শিব পার্বতীকে বিবাহ করেছিল।
পার্বতী, সতী, উমা ইত্যাদি যেসকল নাম পুরাণে পাওয়া যায় সেগুলো একজনই।
জন্মান্তর বা ভিন্নরূপের উপস্থাপন। এখানে বহু নারী নেই।
সৌরপুরাণ ৫৮/১৪-১৫ তে স্পষ্ট উল্লেখ আছে-
গৃহীহেতি শিবঃ প্রাহ পার্ব্বতী পর্ব্বতেশ্বরম্।
তদ্ধস্তে ভগবান্ শম্ভুরঙ্গুলীয়ং প্রবেশয়েৎ।। ১৪
ইমঞ্চ কলসং হৈমমাদায় ত্বং নগোত্তম।
যাহি গত্বা ত্বনেনৈব তামুমাং স্নাপায় ত্বরা।। ১৫
বঙ্গানুবাদ: শম্ভু, পর্ব্বতেশ্বরকে কহিলেন- আমি পার্বতীকে গ্রহণ করিলাম। পরে দেবীর হস্তে একটি অঙ্গুরীয় প্রদান করিয়া নগোত্তমকে কহিলেন, আপনি এই হৈম কলস লইয়া গিয়া সত্ত্বর ইহা দ্বারা সেই উমাকে স্নান করাইয়া দিবেন।
এখানে
দুটি শ্লোকে একই চরিত্রের দুটি নাম রয়েছে। এভাবে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে
ভিন্ন ভিন্ন নাম পাওয়া যায়। আর ৬০ হাজার স্ত্রীর কোন উল্লেখ পুরাণে নেই।
- তাদের দাবি:
শিব তার নিজের ছেলে গনেশকে চিনতে পারেনি, গর্দান কেটে
ফেলেছিলেন, তাহলে তিনি তার সৃষ্টিকে কি করে চিনবেন? ভুলে
যাওয়া কি সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য?
ফেলেছিলেন, তাহলে তিনি তার সৃষ্টিকে কি করে চিনবেন? ভুলে
যাওয়া কি সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য?
- আমাদের জবাব:
একজন পিতা তার সন্তানকে চিনবে না, এরকম ধারণা করাটাও হাস্যকর। তবুও তাদের প্রশ্নের উত্তরটা দিবে কেবল একটা টপিকে, “শিব কি গণেশকে চিনতো না কি চিনতো না?” কে কার মস্তক ছিন্ন করলো এই প্রসঙ্গে যাবে না। কেবল প্রমাণ করে দিচ্ছি শিব গণেশকে জন্মের পর থেকে চিনতো।
লিঙ্গপুরাণ, পূূর্ব্বভাগ, ১০৫তম অধ্যায়ের ১১-১৪ তম শ্লোকে উল্লেখ আছে-
লিঙ্গপুরাণ, পূূর্ব্বভাগ, ১০৫তম অধ্যায়ের ১১-১৪ তম শ্লোকে উল্লেখ আছে-
সর্বেশ্বর ভগবান ভবপুত্রকে জাতমাত্র অবলোকন করিয়া তদুদ্দেশে কর্তব্য জাত-কর্ম্মানি সংস্কার স্বয়ং করিলেন। তারপর জগদীশ্বর সুকোমল হস্তদ্বারা তনয়কে গ্রহণ করিয়া আলিঙ্গন করত মস্তকে চুম্বন করিলেন।
এই থেকে প্রমাণ হয়, গণেশের জন্মের পরই শ্রীশিব তাকে চিনতেন।
- তাদের দাবি:
দেবদাসীর ও যোগিনীর মত পতিতা চরিত্রের সাথে ভগবান ও ব্রাহ্মনগণ কি করে অশ্লীলকর্মে লিপ্ত হন? যদি তারা প্রকৃতার্থে ভগবান হয়ে থাকেন?
- আমাদের জবাব:
এই তথ্যটিরও কোনো রেফারেন্স নেই। যোগিনী অথচ পতিতাবৃত্তি করেছিল এরকম কোনো বিখ্যাত নারী সনাতন ধর্মগ্রন্থে নেই। এরপরের দাবী “ভগবান ও ব্রাহ্মণগণ কি করে সেই পতিতার সাথে অশ্লীলকর্মে লিপ্ত হলো?” পাঠকগণ
এখানে লক্ষ্য করে দেখুন, এখানে ভগবান বা ব্রাহ্মণদের কারো নামগন্ধ নেই।
যদি ধরে নেই কোনো ব্রাহ্মণ কোনো পতিতার সাথে অশ্লীল কর্ম করে তাতে সনাতন
ধর্মের কি দোষ? সনাতন ধর্ম কি কোনো নির্দিষ্ট ব্রহ্মণের উপর নির্ভরশীল?
সনাতন ধর্ম ঈশ্বর প্রেরিত বেদাদি শাস্ত্র এবং শ্রীগীতার আলোকে পরিচালিত
হয়। মানুষের মধ্যে যদিও কেউ খারাপ কাজ করে তবে ধর্মের দোষ দিয়ে লাভ নেই।
কারণ সনাতন ধর্ম সর্বদাই মানুষকে সঠিক পথে চলতে উপদেশ দেয়।
- তাদের দাবি:
অশ্লীল ভঙ্গিমায় উলঙ্গ নারী, মুখে ও দাঁতে রক্ত ও হাতে রক্তাক্ত তলোয়ার
কি করে সৃষ্টিকর্তা হতে পারে? উদাহরন- দূর্গা।
কি করে সৃষ্টিকর্তা হতে পারে? উদাহরন- দূর্গা।
- আমাদের জবাব:
পৌরাণিক ও তন্ত্র শাস্ত্রে দূর্গা শব্দটিকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে এভাবে-
দৈত্যনাশার্থবচনো দকারঃ পরিকীর্তিতঃ। উকারো বিঘ্ননাশস্য বাচকো বেদসম্মত।। রেফো রোগঘ্নবচনো গশ্চ পাপঘ্নবাচকঃ। ভয়শত্রুঘ্নবচনশ্চাকারঃ পরিকীর্তিত।।
অর্থাৎ,
‘দ’ অক্ষরটি দৈত্য বিনাশ করে, উ-কার বিঘ্ন নাশ করে, রেফ রোগ নাশ করে, ‘গ’
অক্ষরটি পাপ নাশ করে এবং অ-কার শত্রু নাশ করে। এর অর্থ- দৈত্য, বিঘ্ন,
রোগ, পাপ ও শত্রুর হাত থেকে যিনি রক্ষা করেন, তিনিই দুর্গা।
অন্যদিকে শব্দকল্পদ্রুম বলেছে, “দুর্গং নাশয়তি যা নিত্যং সা দুর্গা বা প্রকীর্তিতা”। অর্থাৎ, যিনি দুর্গম নামক অসুরকে বধ করেছিলেন, তিনি সব সময় দুর্গা নামে পরিচিত। শ্রীশ্রী চণ্ডীতেও এটি উল্লেখ রয়েছে।
অন্যদিকে শব্দকল্পদ্রুম বলেছে, “দুর্গং নাশয়তি যা নিত্যং সা দুর্গা বা প্রকীর্তিতা”। অর্থাৎ, যিনি দুর্গম নামক অসুরকে বধ করেছিলেন, তিনি সব সময় দুর্গা নামে পরিচিত। শ্রীশ্রী চণ্ডীতেও এটি উল্লেখ রয়েছে।
তারা
যে চরিত্রটির উল্লেখ করেছেন সেটি সম্ভবত কালী। কালী, যিনি কালকে গ্রাস
করেন। অর্থাৎ এমন এক শক্তি যা সময় এবং ব্রহ্মাণ্ডকে গ্রাস করেন। এর সাথে
মিলিয়ে একটি চরিত্র নির্মাণ হয় যার নাম কালী। আসলে যারা মূর্তির মধ্যে
যৌনতা খোঁজে আর দর্শন সম্পর্কে ধারণা নেই, তারাই এরকম মূর্খের ন্যায় প্রশ্ন
করে।
আরো পড়ুন -
- তাদের দাবি:
কৃষ্ণা
যদি সৃষ্টিকর্তা হয় তবে সে কেন তার মামীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক রাখলো? তবে
কি সৃষ্টিকর্তা মানুষের সাথে এমন অবৈধ কর্মে লিপ্ত হয় যা তার নিজেরই
আইনের বর্হিভূত?
- আমাদের জবাব:
কৃষ্ণা
কে? কৃষ্ণকে কৃষ্ণা বানিয়ে দিয়েছে। যাইহোক, শ্রীকৃষ্ণ কখনো মামীর সাথে
প্রেম করেনি। আমরা সকলেই এই কথাটা ভালো করেই জানি যে শ্রীকৃষ্ণ দেবকী এবং
বসুদেবের সন্তান রুপে এই ধরাধামে অবতীর্ণ হন। (শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ:
১০/৩/৮) যিনি দেবকীর ভাই তিনিই শ্রীকৃষ্ণের মামা এটাই স্বাভাবিক।
দেবকী
ছিলেন দেবক এর কন্যা (ভাগবত-১০/১/৩১) এবং কংস ছিলেন দেবকীর কাকাতো ভাই (ভাগবত- ১০/১/৩০)। কংসের ছিল দুই স্ত্রী অস্তি এবং প্রাপ্তি। এই অস্তি এবং প্রাপ্তির সাথে শ্রীকৃষ্ণের কখনো প্রেমময় সম্পর্ক ছিল না।
আর বাকী থাকে রাধা, রাধার সঙ্গে কংসের বিবাহ হয়নি সেটা উপরের ব্যখ্যা থেকেই জেনেছি, কেননা রাধার সঙ্গে কংসের কোনো দিন দেখাই হয়নি। এরচেয়ে বেশি আলোচনা করলাম না। কারণ তাহলে অন্যান্য চরিত্রও অবার্চিন প্রমাণিত হতে থাকবে। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কৃষ্ণচরিত্র [ https://drive.google.com/file/d/1iMiUBCbrawEbrNk-6nBmM_WIqSSKaDOf/view?usp=sharing ]পড়ে নিবেন।
- তাদের দাবি:
কিভাবে
রাম সৃষ্টিকর্তা হতে পারে কারণ সে প্রয়োজনে খাবার খেয়েছে, ঘুম গেছে,
বিয়ে করেছে দৈহিক তাড়নায়, রাম নিজের স্ত্রীকে সন্দেহ করেছে এসব কি
সৃষ্টিকতার কর্ম? যদি রাম সৃষ্টিকর্তাই হন কেন তিনি হনুমানের সাহায্য
চাইবেন? তাহলে কি সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতার কমতি আছে?
- আমাদের জবাব:
পুরাণ
অনুসারে, শ্রীরাম হচ্ছে ঈশ্বরের ৭ম অবতার। তিনি মানুষ রুপে পৃথিবীতে
জন্মগ্রহন করেছিলেন। সুতরাং মানুষের মত কাজকর্ম শ্রীরাম করেছিলেন। এছাড়া
বিবেচনাত্মক দৃষ্টিতে তিনি বৈদিক দৃষ্টিকোন অনুসারে তিনি ঈশ্বর নন, মুক্ত
পুরুষ। এবার আসি শ্রীরাম মাতা সীতাকে সন্দেহ করেছিল কি না?
বহু
গবেষকদের মতে বাল্মীকি রামায়নের সমগ্র উত্তরকাণ্ড অংশটি বহুপরে সংযোজন
করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রক্ষিপ্ত অংশ। এই হিসাবে এই বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনার
প্রয়োজন হয় না। তবুও এই সকল অজ্ঞানীদেরকে সেই প্রক্ষিপ্তপাঠ থেকেই জবাব
দেওয়া সম্ভব।
पश्यतस्तां तु रामस्य समीपे हृदयप्रियाम् | जनवादभयाद्राज्ञो बभूव हृदयं द्विधा|| (६-११५-११)
বাল্মীকি
রামায়ণ (৬/১১৫/১১)- এই শ্লোক অনুসারে শ্রী রাম লক্ষ্য করলেন সীতা দেবীকে
নিয়ে কিছু লোক কুত্সা রটিয়ে বেড়াচ্ছে, এর জন্য সীতা দেবী মন মলিন হয়ে আছে।
पृथक्स्त्रीणां प्रचारेण जातिं त्वं परिशङ्कसे | परित्यजेमां शङ्कां तु यदि तेऽहं परीक्षिता || (६-११६-७)
বাল্মীকি রামায়ণ (৬/১১৬/১৭)- এই শ্লোক অনুসারে শ্রী রাম সীতা দেবীকে বুজাচ্ছেন, এক অভদ্র মহিলার আচরণ দ্বারা তুমি দুঃখী হইয়ো না।
त्वया तु नरशार्दूल क्रोधमेवानुवर्तता | लघुनेव मनुष्येण स्त्रीत्वमेव पुरस्कृतम् || (६-११६-१४)
বাল্মীকি রামায়ণ (৬/১১৬/১৪)- এই শ্লোক অনুসারে সীতা দেবী শ্রী রামকে বুঝাচ্ছেন তিনি দুর্বল ও আবেগে এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ও womanliness অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
चितां मे कुरु सौमित्रे व्यसनस्यास्य भेषजम् |
मिथ्यापवादोपहता नाहं जीवितुमुत्सहे || (६-११६-१८)
বাল্মীকি
রামায়ণ (৬/১১৬/১৮)- এই শ্লোক অনুসারে সীতা দেবী মিথ্যা দোষারোপ থেকে
মুক্ত হবার জন্য লক্ষ্মণকে আদেশ দিচ্ছে আগুনের চিতা তৈরী করার জন্য।
এখানে
শ্রীরামের দোষ কোথায়? শ্রীরাম সন্দেহ করেছেন এমন কথার উল্লেখ এই
প্রক্ষিপ্ত অংশ বা মূল রামায়ণের কোন অংশে নেই। সেই সময়ে রাজাগণ ৩-৪টি করে
বিবাহ করতেন। কিন্তু শ্রীরামের আদর্শ এতটাই মহৎ যে সেই সমাজে বেড়ে উঠেও
তিনি কেবল একজনকেই ভালোবেসেছিলেন। নিজের অর্ধাঙ্গিনীরূপে কেবল মাতা সীতাকেই
বিবাহ করেছিলেন। আর শ্রীরাম হনুমানের কাছে সাহায্য চাননি, বরং হনুমান
শ্রীরামকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে এসেছিলেন। কারণ হনুমান রামভক্ত ছিলেন।
আরো পড়ুন - রামায়ণ মীমাংসাঃ মাতা সীতার অগ্নিপরীক্ষা
- তাদের দাবি:
রাম হনুমানের দুই ভাইকে কেন অকারনে খুন করলেন যেখানে রামের সাথে তাদের কোন শত্রুতা ছিলনা? সৃষ্টিকর্তা হয়ে অপরাধ করা কি সম্ভব?
- আমাদের জবাব:
রাম
হনুমানের ভাইকে হত্যা করেননি। হত্যা করেছেন সুগ্রীবের ভাই বালিকে। কারণ
বালি সুগ্রীবের স্ত্রীকে আটকে রেখেছিলো এবং সুগ্রীবকে ধন সম্পত্তি থেকে
বঞ্চিত করেছিল। বালি ছিল একজন দুরাচারী শাসক।
- তাদের দাবি:
রাবন যদি শয়তান হয়ে একদিনে লঙ্কায় পৌঁছাতে পারে তবে রাম
সৃষ্টিকর্তা হয়ে কেন ১২ বছর লাগলো তাও আবার হনুমানের সাহায্যে? শয়তানের শক্তি সৃষ্টির্কতা হতে কি করে বেশি হওয়া সম্ভব?
সৃষ্টিকর্তা হয়ে কেন ১২ বছর লাগলো তাও আবার হনুমানের সাহায্যে? শয়তানের শক্তি সৃষ্টির্কতা হতে কি করে বেশি হওয়া সম্ভব?
- আমাদের জবাব:
শ্রীরাম
সমুদ্র পার হয়েছেন সমগ্র বানর সেনা নিয়ে। বানর সেনারা শ্রীরামকে যুদ্ধে
সহায়তা করতে চেয়েছিল। আর সমুদ্র পার হতে ১২ বছর লাগেনি। শ্রীরাম ১৪ বছরের
জন্য বনবাসে গিয়েছিলেন। বাল্মীকি রামায়ণ: অযোধ্যা কান্ড/১১/২৬।)
- তাদের দাবি:
কৃষ্ণা সৃষ্টিকর্তা হয়ে কিভাবে নারীদের স্নানরত দৃশ্য উপভোগ করেন ও তাদের পোষাক লুকিয়ে রেখে দেন?
- আমাদের জবাব:
আবারো
নামের ভুল। ওটা কৃষ্ণা নয়, কৃষ্ণ। শ্রীকৃষ্ণ কি নারীদের স্নানরত দৃশ্য
উপভোগ করেননি বরং নারীদের এক মহান শিক্ষা দিয়েছিলেন। ভাগবত পুরাণে
(১০/২২/৯) পাই,
“তীরে পরিত্যক্ত গোপ কন্যাদের বস্ত্রগুলি সংগ্রহ করে তিনি একটি কদম বৃক্ষের উপর আরোহন করলেন এবং তার সঙ্গী বালকেরা এই কৌতুক দেখে হাসতে লাগলো, তিনিও হাসতে লাগলেন এবং কুমারীদের পরিহাস করতে বলতে লাগলেন।
“তীরে পরিত্যক্ত গোপ কন্যাদের বস্ত্রগুলি সংগ্রহ করে তিনি একটি কদম বৃক্ষের উপর আরোহন করলেন এবং তার সঙ্গী বালকেরা এই কৌতুক দেখে হাসতে লাগলো, তিনিও হাসতে লাগলেন এবং কুমারীদের পরিহাস করতে বলতে লাগলেন।
এবার দেখা যাক কাপড় কেন নিয়েছিল...
ভাগবত ১০/২২/১৯
“প্রিয় গোপীকাগণ তোমরা যে ব্রত গ্রহণ করেছিলে তা অত্যন্ত নিষ্টার সঙ্গে পালন করেছ তাতে কোনো সন্দেহ নেই, অজ্ঞানতায় তোমাদের একটা ত্রুটি ঘটে গিয়েছে, ব্রত পালনকালে জলে বিবস্ত্র হয়ে স্নান করা ভালো নয়, এতে জলের দেবতার (বরুন) প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়, তাঁর কাছে অপরাধ হয়, সুতরাং তোমরা পাপ মোচনের জন্য তার কাছে জোড়হাত মাথায় ঠেকিয়ে তাকে প্রণাম করে নিজেদের কাপড় নিয়ে যাও।"
ভাগবত ১০/২২/১৯
“প্রিয় গোপীকাগণ তোমরা যে ব্রত গ্রহণ করেছিলে তা অত্যন্ত নিষ্টার সঙ্গে পালন করেছ তাতে কোনো সন্দেহ নেই, অজ্ঞানতায় তোমাদের একটা ত্রুটি ঘটে গিয়েছে, ব্রত পালনকালে জলে বিবস্ত্র হয়ে স্নান করা ভালো নয়, এতে জলের দেবতার (বরুন) প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়, তাঁর কাছে অপরাধ হয়, সুতরাং তোমরা পাপ মোচনের জন্য তার কাছে জোড়হাত মাথায় ঠেকিয়ে তাকে প্রণাম করে নিজেদের কাপড় নিয়ে যাও।"
এই
শ্লোক অনুসারে শ্রীকৃষ্ণ সমগ্র মানব সমাজকে একটি শিক্ষা দিল। সেটা হচ্ছে
বিবস্ত্র হয়ে স্নান করা ধর্ম বিরুদ্ধ কাজ। এখানে শ্রীকৃষ্ণ একা ছিলেন না,
তার বয়সী আরো মানুষজন ছিলেন (ভাগবত ১০/২২/২২)।
সুতরাং শ্রীকৃষ্ণ নারীদের
স্নানরত দৃশ্য উপভোগ করেন ও তাদের পোষাক লুকিয়ে রেখে দেন-এটি সম্পূর্ণ
মিথ্যা একটি অভিযোগ।
[বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নগুলো
এতটাই নিম্নমানের যে এর খণ্ডন লিপিবদ্ধ করে আমার মনে হয়েছে জীবন থেকে
অনেকটা সময় আমি অযথা নষ্ট করলাম। কিন্তু সাধারণ হিন্দুদের জন্য এরকম লেইম
কিছু প্রশ্নের উত্তর আমাকে লিখতে হলো। আশাকরি আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। আর
অজ্ঞানীদেরকে বলতে চাই, আপনাদের মতো হাজারো পা’ষণ্ড সনাতন ধর্ম দর্শনকে
কলুষিত করতে চেয়েছিল, কিন্তু সনাতন ধর্ম সবচেয়ে প্রাচীন ধর্ম হওয়া
সত্ত্বেও সগৌরবে ধর্ম মহিমা ছড়িয়ে যাচ্ছে। এটি কোনো নির্দিষ্ট মানুষের
প্রদত্ত ধর্ম নয়। এই ধর্মের কোনো প্রবর্তক নেই। তবুও এই ধর্ম বিকশিত
হচ্ছে। কীভাবে সম্ভব একটু ভেবে দেখবেন। ধন্যবাদ।]

রাধাকৃষ্ণ সম্পর্কে হিন্দু ধর্ম বাস্তবে কি বলে?
ReplyDeleteকীর্তন বা পদাবলী এগুলো তো কবিদের মনগড়া কথা, ধর্ম কি বলে আসলে?
হিন্দুধর্ম পুরোটাই মনগড়া
Deleteআপনি কি এলিয়েন
Deleteআবাল মার্কা জবাব দিয়ে বলে, দাঁত ভাঙা জবাব
ReplyDeleteabal er shob jobab abal marka ei lage
DeleteAre you HIZRA
DeleteGandu Tumi bal bujhcho ?
Deleteপাগলে তার ভালো বুঝে, একজন লোক এসে বললো আমি সৃষ্টিকর্তা, আমি মানুষ হয়ে পৃথিবীতে এসেছি,তোমাদের পথ দেখাতে, হা হা হা, সৃষ্টিকর্তার কি এই টুকু ক্ষমতা নেই আসমানে থেকে মানুষকে পথ দেখাতে, নিজের বিবেক কে জাগ্রত করুন, যেকোন বই পুস্তকে যেকোন লেখা স্রষ্টা বাণি হয়না, আপনি যে কিতাবের রেফারেন্স দিয়েছেন এক্টাও স্রষ্টার বাণি নয়, তাছাড়া পুরাণে অনেকগুলো অনুবাদ আছে যেগুলো সরাসরি একটি অন্যটির গুর বিরোদ্ধ
ReplyDeleteআমাদের এত কোরাণিক আবালিক জ্ঞান নেই,থাকলে নাহলে এতদিন জিহাদ জিহাদ করতাম, আমাদের দর্মীয় জ্ঞান আছে দেখেই সেই সূত্র ধরে আমরা সূর্যে পৌছে গিয়েছি!কোরাণশরীফও কখনো আল্লাহ এর বাাণী ওয়ালা বই হতে পােরনা
Deleteভাই আর এক জন এসে বল্লো সে আল্লার কথা শুনছে আল্লা তার কাছে বলছে এবং সেই আনুযায়ী সে কুরান লেখছে সবাই এটাকে মেনে তার উপাসনা করা ধরলো এটা কি ভাই
Deleteঅগ্নীবীরকে ধন্যবাদ। ওদের এত অপপ্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দেয়ার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ওদের যুক্তিবোধ ও মানসম্মান থাকলে এই জাতীয় হাইস্যকর প্রশ্ন আর করবে না।
ReplyDeleteএগুলো তো সব দেখলাম গাঞ্জাখোর উত্তর সবগুলোতেই না স্বীকার করলাম
Deleteধন্যবাদ বাংলাদেশ অগ্নীবীর, এগিয়ে যাও
ReplyDeleteকিন্তু শিবলিঙ্গ নিয়ে যে অপপ্রচার করা হয় তার তো জবাব দিলেন না! দয়া করে এ অপপ্রচার এর যথোপযুক্ত খন্ডন করুন!
ReplyDeleteবিবস্ত্র অবস্থায় প্রমান করে এসে তারপর কাপড় নিবে,বাহ🙆♂️
ReplyDeleteTumi laura
Deleteএখানে দেখলাম সবগুলোই তো না স্বীকার করলেন যতগুলো উদাহরণ দিলেন একটা তো কিলিয়ার হলো না প্রশ্নের উত্তরগুলো আপনি বললেন এখানে ঈশ্বরের সপ্তম তম অবতার হল শ্রী রাম আপনারা তো পূজা করেন এই সপ্তম তম অবতার কেই দেখি। আরে যাই হোক আপনারা পূজো করেন দেখি সব মানুষকেই যতগুলো উদাহরণ দিলেন এগুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে এরাও আমাদের মত সাধারন মানুষ সৃষ্টিকর্তা কখনো এত ঝামেলায় জড়াবেন না তিনি চাইলেই এক নিমিষে সব কিছু করতে পারবে তার মানুষের মত কোন চাহিদা থাকবে কেন কেনই বা থাকবে তার স্ত্রী যাই হোক আপনি বললেন যে আমরা জিহাদ করি জিহাদ কাকে বলে সেটা তো জানেন না খালি জেনেছেন জিহাদ করে মুসলমান জিহাদ করলে আপনাদের মত কেউ আর থাকত না কারণ আমরা জিহাদের মানে বুঝি জিহাদ কাকে বলে। এগুলো আজগুবি উত্তর দিয়ে কোন লাভ নেই সৃষ্টিকর্তার কারো সাহায্যের প্রয়োজন হয় না। কারণ তিনি আমাদের মত না।
ReplyDeleteঅবশ্যই স্রষ্টার কারো সাহায্যের প্রয়োজন হয় না। স্রষ্টাকে গভীরতরভাবে জানতে হলে অাপনি বেদ অবলোকন করতে পারেন। তবে অাপনি পৌরাণিক মতবাদকেই সনাতন ধর্মে ঈশ্বরের ধারণা বলে ভাবছেন। এক্ষেত্রে প্রথমে অাপনার বৈদিক ঈশ্বর তত্ত্ব জানা প্রয়োজন, অতঃপর পুরাণ কী এবং কেন। অার অাপনার প্রশ্নের বিষয়বস্তু হলো অবতারবাদ, যার উৎস হলো পৌরাণিক তত্ত্ব।
Deleteএখানে অহিন্দু যারা কমেন্ট করছে তাদেরকে বলি, তোদের ধর্মগ্রন্থ বা এক্টিভিটি থেকে বোঝা যায় তোদের আল্লাহ শুধুমাত্র পৃথিবী নিয়েই ব্যস্ত এবং যারা অমুসলিম তাদেরকে ঘৃনা করা শিখিয়েছে। এটা থেকে বুঝা যায়, তোদের ধর্ম সম্পূর্ণ মানবসৃষ্ট এবং ফেইক।
Deleteআল্লাহর ভোসড়া চাটতে যা মক্কায় আবার বড় বড় লিকচার মারাস!
Deleteআল্লাহ কারো উপর ভরসা করেন না তাই একটা ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠাতে মানুষের সাহায্য লাগলো। আপনার সৃষ্টিকর্তা সাহায্য নিলো না কোথায়... নিজেই তো আকাশ থেকে প্রকাশ হয়ে প্রচার করতে পারতেন। তাও পৃথিবীর সৃষ্টি ০৫ কোটি বছর। ধর্মীয় বই ১৫০০ বছর। কেউ নিজেকে ইশ্বর দাবি করার ক্ষমতা রাখেননি যীশু না, নবী ও না। যে ইশ্বর সেতো মানব জাতিকে জানাতে তার প্রকাশ ঘটাবেই।
Deleteবাবা কে অপমান , ঘৃণা করা ছাড়া তো কিছু নেই কোরআনে, সব লাউরা, fake, JAY BHABANI
Deleteকৃষ্ণ!
ReplyDelete- কৃষ্ণই কি মাতা দেবকীর পুত্র?
- জ্বি।
- মাতা দেবকী কে সৃষ্টি করেছে?
- ঈশ্বর!
- ঈশ্বর কে?
- কৃষ্ণ!
- কৃষ্ণই কি মাতা দেবকীর গর্ভে জন্ম নেয়া
সন্তান?
- জ্বি।
- তার পিতা কে?
- বাসুদেব!
-বাসুদেব কি কৃষ্ণের জন্মদাতা পিতা?
-জ্বি
-বাসুদেব কে সৃষ্টি করছে?
-ঈশ্বর
- ঈশ্বর কে?
- কৃষ্ণ!
- কৃষ্ণ কি পরমত্না ঈশ্বরেরর সেবক?
- জ্বি।
- কৃষ্ণকে কি তীরের আঘাতে হত্যা করা হয়েছিল?
- জ্বি।
- কৃষ্ণ কি অবতার পুরুষ?
-জ্বি।
- তাকে কে পাঠিয়েছিলেন?
- ঈশ্বর!
- ঈশ্বর কে?
- কৃষ্ণ!
- আচ্ছা, কৃষ্ণ কি পৃথিবীতে থাকতে উপাসনা করতেন?
- জ্বি।
- কার উপাসনা করতেন?
- ঈশ্বরের!
-তাহলে ঈশ্বর কে?
- কৃষ্ণ!
- ঈশ্বরের কি ‘জন্ম’ আছে?
- নাহ!
- তাহলে হিন্দু পঞ্জিকা মতে, সৌর ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে কে জন্মগ্রহণ করেছেন?
- কৃষ্ণ।
- কৃষ্ণ কে?
- ঈশ্বর!
- ঈশ্বর কোথায় আছেন?
- স্বর্গে!
- স্বর্গে কতজন ‘উপাস্য’ আছেন?
- এক ও অদ্বিতীয় একজন উপাস্য আছেন।
- কৃষ্ণ এখন কোথায়?
- স্বর্গে!
- তাহলে স্বর্গে কয়জন উপাস্য আছেন?
- একমাত্র একজনই আছেন পরমত্না!
- তাহলে কয়জন উপাস্য স্বর্গে উপবিষ্ট আছেন?
- একজন!
- কৃষ্ণ কোথায় আছেন?
-স্বর্গে!
- কৃষ্ণ কে?
- ঈশ্বর!
ওয়েট! ওয়েট!! আবার নতুন করে শুরু করতে হবে...। 😸
আপনি যে অর্ধশিক্ষিত, তা কমেন্টে বোঝা যায়।
Deleteআচ্ছা শ্রীকৃষ্ণকে কে ঈশ্বর বলেছে?
Deleteসাধারণ সনাতনী ভাই বোনদের এই জন্যই তাদের ধর্মগ্রন্থ পড়তে দেয়া হয়না কারণ তাদের গ্রন্থে অনেক অশ্লীলতা বয়েছে, আসুন দেখে নিই গীতাতে কি বলছে কৃষ্ণ
ReplyDeleteএখানে কৃষ্ণ বলছে ব্রহ্মর সাথে মিলন করে নাকি গর্ভধারণ করে তাহলে এখন প্রশ্ন হচ্ছে কৃষ্ণ পুরুষ নাকি মহিলা?
মম যোনির্মহদ্ ব্রহ্ম তস্মিন্ গর্ভং দধাম্যহম্।
সম্ভবঃ সর্বভূতানাং ততো ভবতি ভারত।।৩।।
অনুবাদঃ হে ভারত! প্রকৃতি সংজ্ঞক ব্রহ্ম আমার যোনিস্বরূপ এবং সেই ব্রহ্মে আমি গর্ভাধান করি, যার ফলে সমস্ত জীবের জন্ম হয়। (গীতা, চতুর্দশ-অধ্যায় 3নাম্বার শ্লোক)
সর্বযোনিষু কৌন্তেয় মূর্তয়ঃ সম্ভবন্তি যাঃ।
তাসাং ব্রহ্ম মহদযোনিরহং বীজপ্রদঃ পিতা।।৪।।
অনুবাদঃ হে কৌন্তেয়! সকল যোনিতে যে সমস্ত মূর্তি প্রকাশিত হয়, ব্রহ্মরূপী যোনিই তাদের জননী-স্বরূপা এবং আমি তাদের বীজ প্রদানকারী পিতা।
গীতা,( চতুর্দশ-অধ্যায় 4নাম্বার শ্লোক)
যবনাসুর মোহাম্মদের চ্যালা, তোদের মাথায় সবসময় সেক্স আর সেক্স তাই সবকিছু মন-বুদ্ধিতে না ধোন দিয়ে বিচার করিস! তুই যে গীতার শ্লোক টা উদ্ধৃতি করলি ওখানে "যোনি" শব্দের অর্থ নারীর গুপ্তাঙ্গ না রে কাটুয়া। আগে সংস্কৃত জেনে আয়।
Deleteমোহাম্মদের চেলা , Chuslim . আমরা সবাই ভালো করে পরিচিত আমাদের ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে, তোদের বুঝাতে হবে না, তোদের ধর্মগ্রন্থে তো সব খারাপ খারাপ জিনিস, তোদের পুটকির কুরআন থেকে আমাদের বেদ এবং গীতা হাজার হাজার গুনে ভালো
Deleteশূদ্রের বাসায় রান্না করা খাবার, কিংবা শূদ্রের পাত্রে রান্না করা খাবার সাধারণভাবে খাওয়া যাবে না।
ReplyDelete— দয়ানন্দ সরস্বতী, সত্যার্থ প্রকাশ, দশম সমুল্লাস, পৃ ২০৩
নিজের মতো করে কমেন্ট করলেই হয়না। লেখার এপাশ-ওপাশ কেটেছেটে কমেন্ট করে নিজেকে বড় পন্ডিত মনেকরা যথোচিত নয়।
Deleteকিরে বোকাচোদা তুই কি দয়ানন্দ এর সত্যার্থ প্রকাশ পড়েছিস নাকি মুহাম্মদের। কারণ পৃ ২০৩ এ দশম সমুল্লাস শুরুই হয় না 😂 । ২০৩ পৃষ্ঠায় পঞ্চম সমুল্লাস
DeleteAllah Subhanahu Wa Ta'ala said:
ReplyDeleteوَاِ نْ کُنْتُمْ فِيْ رَيْبٍ مِّمَّا نَزَّلْنَا عَلٰى عَبْدِنَا فَأْتُوْا بِسُوْرَةٍ مِّنْ مِّثْلِهٖ ۖ وَا دْعُوْا شُهَدَآءَكُمْ مِّنْ دُوْنِ اللّٰهِ اِنْ كُنْتُمْ صٰدِقِيْنَ
"আমি আমার বান্দাহর প্রতি যা নাযিল করেছি তাতে তোমাদের কোন সন্দেহ থাকলে তোমরা তার মত কোন সূরাহ এনে দাও আর তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে আল্লাহ ছাড়া তোমাদের সকল সাহায্যকারীকে আহবান কর।"
(QS. Al-Baqarah 2: Verse 23)
* Via Al-Qur'an Bangla https://quran-apk.com/bd
ভাই সূরা এনে কি করবেন, শ্লোক তো অনেক বছর আগেই এসেেছ, পারলে শ্লোক এনে দেখান, বেদ, গীতা এনে দেখান, যা পৃথিবী সৃষ্টির সাথে সামন্জস্যপূর্ণ, পৃথিবীর বয়স তো ১৫০০ বছর নয়।
DeleteAllah Subhanahu Wa Ta'ala said:
ReplyDeleteذٰلِكَ الْكِتٰبُ لَا رَيْبَ ۛ فِيْهِ ۛ هُدًى لِّلْمُتَّقِيْنَ
"এটা ঐ (মহান) কিতাব যাতে কোন সন্দেহ নেই, মুত্তাকীদের জন্য পথ নির্দেশ।"
(QS. Al-Baqarah 2: Verse 2)
* Via Al-Qur'an Bangla https://quran-apk.com/bd
ভুলে ভরা গল্পের বই কোড়ান
DeleteAllah Subhanahu Wa Ta'ala said:
ReplyDeleteاُولٰٓئِكَ الَّذِيْنَ اشْتَرَوُا الضَّلٰلَةَ بِا لْهُدٰى ۖ فَمَا رَبِحَتْ تِّجَا رَتُهُمْ وَمَا كَا نُوْا مُهْتَدِيْنَ
"তারাই হিদায়াতের বিনিময়ে গোমরাহী ক্রয় করেছে, কিন্তু তাতে তাদের ব্যবসা লাভজনক হয়নি, আর তারা সৎপথপ্রাপ্তও নয়।"
(QS. Al-Baqarah 2: Verse 16)
* Via Al-Qur'an Bangla https://quran-apk.com/bd
Alla , কে লাঔরা, 1400 বছর নিউ বয় , আর পৃথিবী ইস মোর থান 5 বিলিয়ন ইয়ার ওল্ড , ফাকক মদমদ
DeleteSala Muslims choda ekhane ki ? Vag ekhane theke , asob ajgubi Kotha keo bissas Kore na
DeleteIslam is great.Thank you
ReplyDelete-u
Deleteফাকিং ইসলাম , ভোসরা
DeleteIslam is the worst , thank you
Deleteখুবই গুরুত্বপূর্ণ লিখেছেন!! ধন্যবাদ
ReplyDeleteঅত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ভালো কাজ করছেন আপনারা, এর জন্য আপনাদের ধন্যবাদ, 🙏🫡🫡
ReplyDeleteKoyekta Chuslim (bad Muslim( ese comment e tader hater porichoy dicche 😫😂😂😂😂
ReplyDeleteKoyekta Chuslim ese tader jater porichoy dicche 😂😂😂🙏🏻
ReplyDelete